Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

সঠিক চিকিৎসাই গ্লুকোমার হাত থেকে মুক্তির উপায়

Open Angle

রোগটি কি?

গ্লুকোমা আমাদের চোখের এক ধরনের রোগ যার ফলে অপটিক স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দৃষ্টি হারানোর সম্ভাবনাও থাকে। সঠিক চিকিৎসা না করলে প্রথমে পার্শ্বীয় দৃষ্টি,তারপর কেন্দ্রীয় দৃষ্টি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রকারভেদ

  • ওপেন অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা
  • ক্লোজড অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা
  • নর্মাল টেনশন গ্লুকোমা

রোগের লক্ষণ

  • চোখে তীব্র ব্যাথা
  • চোখ লাল হয়ে যাওয়া
  • ঝাপসা দৃষ্টি
  • চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া
  • বমিভাব
  • এক্ষেত্রে চোখের প্রেসার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়।

কোন বয়সে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অধিক

গ্লুকোমা একটি গ্রুপ অব ডিসঅর্ডার বা নিউরোজেনেটিক ডিসঅর্ডার। অর্থাৎ বিভিন্ন কারণে নার্ভ নষ্ট হয়ে যাওয়া এর প্রধান কারণ যদিও চোখের প্রেশার বেশী থাকা। এটি মূলত জিনগত ব্যাধি। তাই বয়সের কোনো সীমা মানে না এই রোগ। অবশ্য অনেক ক্ষেত্রে আঘাতের জন্যও গ্লুকোমা হতে পারে।

আবার যে সব বাচ্চাদের অ্যালার্জির প্রবণতা থাকে তাদের অত্যাধিক স্টেরয়েড সেবন করানোর ফলেও তাদের গ্লুকোমা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

চিকিৎসা

গ্লুকোমা পুরোপুরি প্রতিরোধ করা না গেলেও দ্রুত চিকিৎসা নিলে গ্লুকোমাত কারণে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বা অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা যায়। এর থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা প্রয়োজন।অনেক সময় লেজার বা শল্য চিকিৎসার মাধ্যমে গ্লুকোমা নির্মুলের চেষ্টা করা হয়ে থাকে।

শল্য চিকিৎসার প্রকারভেদ

  • ফিল্ট্রেশন
  • সার্জারি
  • এক্সপ্রেস সান্ট
  • গ্লুকোমা ভাল্ভ প্রতিস্থাপন
  • এক্সপ্রেস সান্ট ইমপ্লান্টেশন

সারা বিশ্বে ৬৭ মিলিয়ন লোক গ্লুকোমা আক্রান্ত। সাধারণত বয়স্ক লোকের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশী। ক্লোজড অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশী লক্ষ করা যায়।সারা বিশ্বে ছানি ব্যাতিরেকে গ্লুকোমাই অন্ধত্বের দ্বিতীয় কারণ। তাই সতর্কতা অবলম্বন, নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষার মধ্য দিয়েই এই ভয়ানক ব্যাধির হাত থেকে মুক্তি লাভ একমাত্র উপায়।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top