Diet - ডায়েট

ভিটামিন আর মিনারেলের প্রাচুর্যে ভরপুর শসা

vitamins and minerals

শসার আদিজন্ম উত্তর ভারতে অর্থাৎ কিনা একেবারে “দেশের ছেলে”। শসা হল সবজি-ফলের টু-ইন-ওয়ান ভরা গ্রীষ্মের দাবদাহের মধ্যে প্রাণজাগানো তৃষাহরানো প্রকৃতির সুলভ প্রসাদ ।

প্রতি ১০০ গ্রাম ওজনে শসার পুষ্টিউপাদান এইরকম

জলীয় অংশ ৯৬.৩;

প্রোটিন ০.৪;

ফ্যাট ০.১;

মিনারেল ০.৩;

ফাইবার ০.৪;

কার্বোহাইড্রেট ২.৫;

ক্যালোরি ১৩।

ক্যালসিয়াম ১০ মিপ্রা;

ফসফরাস ২৫ মিগ্রা;

লোহা ১.৫ মিগ্রা;

ভিটামিন সি ৭ মিগ্রা এবং অল্প পরিমাণে ভিটামিন বি কমপ্রেক্স।

গবেষকরা বলেছেন, শসাতে ক্ষারধর্মী মিনারেল রয়েছে ৬৪.০৫ শতাংশ। আর অক্পধর্মী মিনারেল ৩৫.৯৫ শতাংশ।

বস্তত মিনারেল-এর এই অনন্য সন্নিবেশই শসাকে নানা রোগের নিবারণে ও নিরাময়ে উল্লেখযোগ্য করে তুলেছে। রক্তের ক্ষারধর্ম বজায় রাখতে শসা নিজগুণেই সক্ষম ।

এছাড়া শসা হল অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুত্রকারক প্রকৃতিজাত খাদ্য বা ‘‘ন্যাচারাল ডায়ইউরেটিক’’।

কচি কাঁচা এবং বুড়ো শসা- দু’রকম শসাই আমাদের কাছে সমাদৃত। আমাদের ঘরোয়া স্যালাডের অন্যতম উপাদান কচি শসা। আর পাকা শসার ব্যবহার তরকারি হিসেবে। কিন্তু ব্যবহারের আগে আমাদের অবশ্যই মনে রাখা দরকার-

একমাত্র দুই প্রান্তের কিছুটা অংশ খোসা সমেত বাদ দেওয়া ছাড়া গ্রহণযোগ্য কোনও অংশের খোসা ছাড়ানো উচিত নয়। কেননা ওই খোসার নিচেই প্রধানত ভিটামিন ও মিনারেল-এর উপস্থিতি।

কচি শসা মুত্রকারক হলেও পেটে অত্যন্ত বায়ু সৃষ্টি করে। তাই কচি শসা সবসময় গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া বিধেয়। গোলমরিচ বায়ুনাশ করে।

পাকা শসার বীজ খুবই মূল্যবান অথচ আমরা প্রায়ই ওগুলো ফেলে দিই। কিন্তু এতে আছে ৪৫ শতাংশ প্রোটিন, ৪২.৫ শতাংশ ফ্যাট আর প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস।

ক্রনিক ডিসপেপসিয়ার রোগীদের পক্ষে কাঁচা শসা হজম করা কষ্টকর।

এবার জানাই বিভিন্ন রোগের নিবারণে ও নিরাময়ে শসার সার্থক প্রয়োগবিধি

প্রস্রাবের সমস্যায়

পাকস্থলীর গোলযোগে

বাতের ব্যথায়

অল্পপিত্ত

মেদবৃদ্ধিতে

ত্বকের সমস্যায়

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top