Mental health মনের যত্ন

স্মৃতিশক্তি বাড়বে কীভাবে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটু একটু করে ধার কমতে শুরু করে মগজের।

কখনো কারোর নাম ভুলে যাওয়া বা দরকারি জিনিস হাতের কাছে রেখেও বেমালুম ভুলে যাওয়া।

এই ধরণের ঘটনার সঙ্গে আমাদের প্রায় রোজই মুখোমুখি হতে হয়।

চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে বয়স বৃদ্ধির সমানুপাতিক হারে যুক্তি তৈরির ক্ষমতা, দ্রুত জবাব তৈরির মতো মানসিক ক্ষমতা কমতে থাকে।

স্মৃতিশক্তি ব্রেইনের এমন একটি অংশ যেখানে কাজ, তথ্য গ্রহণ, রেজিস্ট্রেশন এবং রিট্রিভ-এর মাধ্যমে হয়ে থাকে ।

এ অংশটি আমাদের যেকোনো ঘটনা, বস্তু, বিষয়কে প্রথমে গ্রহণ করে, গ্রহণের পর সেই তথ্যকে ব্যাখ্যা করে সেটিকে রেজিস্ট্রেশন করে। রেজিস্ট্রেশন পর সেটিকে রিট্রিভ করে।

সমস্যা তখনই তৈরি হয় যখন এই তিনটি কার্যক্রম পরপর না হলে।

কারোর ক্ষেত্রে হয়তো তথ্য ব্রেইনে নিতে অসুবিধা হয়, যদি সে মনোযোগ না দেয়, তাহলে সে সেটা রেজিস্ট্রেশনও করতে পারবে না, রিট্রিভও করতে পারবে না।

কেউ খুব মনোযোগ দিলো, কিন্তু সেটিকে ব্রেইনে স্থায়ীভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারলো না, তখন প্রয়োজনীয় সময়ে সে তা রিট্রিভ করতে পারবে না। আবার কেউ নিলো এবং রেজিস্ট্রেশন ও করলো

কিন্তু ব্রেইনে নানারকম অসুবিধার কারণে সে সেটায় পুনরায় উপস্থাপন বা রিট্রিভ করতে পারে না।

এগুলো স্মৃতিশক্তির নানাধরনের সমস্যা।

স্মৃতিশক্তি বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করলে নিরাশ হওয়ার কিছু নেই।

হাতের কাছে কিছু উপায় আছে যাতে বাড়বে আপনার স্মৃতিশক্তি।

** শরীরচর্চা করলে দেহের পেশির পুষ্টির সঙ্গে মস্তিষ্কের আকারও বৃদ্ধি পায়।

ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের সিন্যাপসের সংখ্যা বাড়ে।

এর ফলে মগজে নতুন নতুন কোষ তৈরি হয়।

** সঠিক ঘুমের অভাব দুর্বল স্মৃতিশক্তির সঙ্গে যুক্ত।

ঘুম স্মৃতিশক্তিকে বৃদ্ধি করতে অত্যাবশ্যক ভূমিকা পালন করে।

আপনি যদি ঘুম থেকে বঞ্চিত হন তবে আপনার স্মৃতিশক্তিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

** মগজের পুষ্টির জন্য বেছে নিতে হবে সঠিক খাবার

আপনার খাবারের ২০% শর্করা এবং শক্তি আপনার মস্তিষ্কে যায়।

মস্তিষ্কের কাজের পুরোটাই নির্ভর করে তার গ্লুকোজের মাত্রার ওপর।

শরীরে গ্লুকোজের মাত্রায় হেরফের হলে আপনার মনেও দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।

** চর্বিযুক্ত তেলসহ মাছ, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি সমৃদ্ধ উৎস, যা মস্তিষ্ক গঠনের একটি প্রধান একক।

ওমেগা-৩ স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ করতে এবং মেজাজ উন্নত করতে ভূমিকা পালন করে, সেইসঙ্গে কগনিটিভ বিভিন্ন সমস্যা থেকে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে। তাই মাছ খান।

** পরিশ্রমের ফাঁকে ফাঁকে অবসর নেওয়াও জরুরি।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top