Lifestyle - লাইফস্টাইল

যখন তখন “মিষ্টি -ক্রেভিং’- সুগার নাকি অন্য কোনও রোগের ইঙ্গিত 

খাবার পর একটু মিষ্টিমুখ না করলে যেন খাবারটাই সম্পূর্ণ হয় না। অনেকেই আছেন যাঁরা  মিষ্টি দেখলেই না খেয়ে থাকতে পারেন না।

যতই মন অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করা হোকই না কেন, কোনও কাজেই যেন মন বসতে চায় না।

এর কারণ একাধিক বলে ধরা হয়ে থাকে।  এটা অনেক সময় ‘ফিজিক্যাল ইমব্যালেন্স-এর জন্য হয়ে থাকে।

এছাড়াও শরীরে অন্যান্য রোগ বাসা বাঁধলে মিষ্টি খাওয়ার ঘন ঘন ক্রেভিংস দেখা দিতে পারে।

এভাবেই প্রতিদিন মাত্রাতিরিক্ত মিষ্টি খেতে খেতে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। মিষ্টি সবসময়ই সঠিক পরিমাণে খাওয়া দরকার, যতটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।

** আমাদের দেহে অন্ত্রে যেসব ছত্রাক এবং পরজীবীর বাস তারা চিনি খেয়ে বেঁচে থাকে।

তাই মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা যখন খুব বেড়ে যাবে, তখন বুঝতে হবে পেটের ভেতরে পরজীবী আর ছত্রাকরা বেশ জাঁকিয়ে বসেছে।

শরীরের ভিতরে যে প্রাকৃতিক চিনি উৎপন্ন হয় তা শুষে নিয়ে শরীরে চিনির চাহিদা তৈরি করে।

** আমাদের দুপুর বা রাতের খাবারে সাধারণত কিছু কার্বোহাইড্রেট থাকে। যা রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

এরফলে আরও কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার ইচ্ছা হয়।

আর লাঞ্চ বা ডিনারের পর একটা গোটা মিষ্টি মুখে পুরতে না পেলে মনে হয় পেট পুরোপুরি ভরেনি।

** খাদ্যের ৬টি উপাদানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো খনিজ।

পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি খনিজের অভাব ঘটলে মানুষের মিষ্টি খাওয়ার প্রতি ঝোঁক বাড়তে শুরু করে।

** যখনই আমরা চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাই তখনই মস্তিষ্ক অধিক ডোপামিন তৈরির নির্দেশ দিতে শুরু করে।

এই ডোপামিনকে স্নায়ুর বার্তা পরিবহণ করার এক বিশেষ তরল হিসেবে গণ্য করা হয়। এটাকে ‘ফিল গুড’ হরমোনও বলা হয়।

যখন ডোপামিনের মাত্রা কমে যায় তখন আমরা বিমর্ষ হয়ে যাই। এই বিমর্ষ-ভাব কাটাতে চিনি খেতে যাই, এতে আনন্দের পাশাপাশি ওজনও বাড়ে।

** পর্যাপ্ত ঘুম শরীরে বিভিন্ন হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

লেপটিন নামক এক বিশেষ হরমোন আমাদের শরীরে ঠিক কোন খাবার কতটা প্রয়োজন তা নিয়ন্ত্রণ করে।

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে এই হরমোনের উৎপাদন মাত্রা কমে যায়। তাই এসময় মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতাও লক্ষ করা

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top