Diet - ডায়েট

সাতসকালে পেট ভরাতে ভরসা রাখুন পাঁচটি খাবারে

পুষ্টি আমাদের প্রতিটি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া  ব্রেকফাস্ট প্রায়শই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার বলা হয়।স্বাস্থ্যসম্মত সকালের ব্রেকফাস্ট হতে হবে ক্যালসিয়াম এবং ফাইবারসমৃদ্ধ। খেতে পারেন প্রোটিন ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোনো দানাশস্য দিয়ে সকালের জলখাবার খাবেন।

ওটস – সারাদিনের এনার্জি পেতে ওটমিল খেতে পারেন। কারণ, ওটসে আছে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফাইবার, ম্যাংগানিজ, কপার, ফসফরাস, আয়রন, জিঙ্ক, ফলেট, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন বি-১ এবং ভিটামিন বি- ৬। ওটস খেতে পারেন দুধ, ফল ও বাদাম মিশিয়ে। ওজন কমাতে এবং কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওটসের জুড়ি নেই। তবে কোনো ফ্লেভারড বা চিনিযুক্ত ওটমিল খাবেন না। ওটস খিচুড়িও সকালের জলখাবারে হিসেবে চমৎকার।

রাগি– দক্ষিণ ভারতের অন্যতম প্রধান খাবার হল রাগি । এটা শুধু উচ্চমাত্রার প্রোটিনে ভরপুর নয়, এতে রয়েছে ক্যালশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন-সি ও ই । ব্রেকফাস্টের তালিকায় রাগি থাকলে সুস্থ থাকবেন আপনিও । রাগিতে থাকা পুষ্টিগুণ চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী । রোজের খাদ্যতালিকায় এটা রাখলে ঘুম থেকে শুরু করে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা, সবটার সমাধান হতে পারে । শিশু  থেকে বয়স্ক সকলের জন্য এটা ভালো । রুটি থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে রাগি খাওয়া যেতে পারে ।

কিনুয়া– পুষ্টিগুণের জন্য কিনুয়াকে সুপার ফুড বলা হয় । এক ধরনের ফুলগাছের বীজ হল কিনুয়া বা কিনোয়া । এটা গ্লুটেন ফ্রি, হোল গ্রেইন কার্বোহাইড্রেট । প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট দুটোই আছে কিনুয়াতে । ভিটামিন, ফাইবারে ঠাসা কিনুয়া খাদ্য তালিকায় রাখা মানে সুস্বাস্থ্যের পথে প্রতিদিন এগিয়ে যাওয়া । ওজন কমানো, পেট পরিষ্কার রাখা, ইমিউনিটি বাড়ানো, হাড় মজবুত রাখা সবটাই এক খাবারে সম্ভব ।

বাদাম  পিনাট বা এমনি বাদামের পাশাপাশি আমন্ড, আখরোট, পেস্তা, কাজু এগুলোও খাওয়া দরকার । বাদাম শরীরে গুড ফ্যাটের জোগান দেয় । ডায়েট করলেও, এই গুড ফ্যাট শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি । উচ্চ মাত্রার প্রোটিনের পাশাপাশি নানা ধরনের খনিজ ও ভিটামিনে ঠাসা বাদাম । মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও এগুলো খাওয়া দরকার । শরীরে দ্রুত এনার্জি জোগাতে বাদামের জুড়ি মেলা ভার ।

মুসেলি – চটজলদি খাবার হিসেবে মুসেলি ভালো ব্রেকফাস্ট। প্রোটিন , ভিটামিন , ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবারটি খেলে একদিকে যেমন পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে তেমনি এটি অত্যন্ত সহজপাচ্য। তৈরি করতেও বেশি সময় লাগে না। দুধের মধ্যে মিশিয়ে খেতে পারেন। সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন বাদাম, কিশমিশ, আমন্ড, কাজু , পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি।

 

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top