Lifestyle - লাইফস্টাইল

ভরা বর্ষায় পায়ের যত্ন নিন 

শীতকালের পা ফাটার সমস্যা আমাদের কমবেশি সকলকেই ভোগায় । কিন্তু সবচেয়ে বেশি হাত ও পায়ের ফাঙ্গাল ইনফেকশন হয়ে থাকে বর্ষাকালেই।

নখের কোনা এবং আঙুলের ফাঁকের চাপা অংশে জল  জমে থাকলে সেখান থেকে নখকুনি বা হাজার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে এটাও সত্যি শীতের তুলনায় বর্ষাকালে ও গরমকালে পায়ের চিকিৎসকদের কাছে রোগীর সংখ্যা বাড়তে দেখা গেছে ।

রাস্তাঘাটে বেরোতে হলে  বর্ষার কাদাজলে আমাদের হাত-পা নোংরা হয়েই যায়।

বিশেষ করে শহরাঞ্চলে রাস্তায় জমে থাকা জলের সঙ্গে নানারকম ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশে থাকে।

এই নোংরা জল  হাতে, পায়ে লাগলে বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ দেখা দেয়। আর শুধু কাদাজল নয়, বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়াতেও হাত ও পায়ের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফাঙ্গাল ইনফেকশনসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই বর্ষায় হাত ও পায়ের প্রতি একটু মনোযোগী হতে হবে। অর্থাৎ নিয়মিত যত্ন নিতে হবে।

পা ঢাকা জুতো

বর্ষার নোংরা জলকাদা যাতে পায়ের আঙুলের ফাঁকে না ঢুকতে পারে সেজন্য  যতটা সম্ভব পা ঢাকা দেওয়া জুতো পরুন । তা নাহলে পায়ে নোংরা জল জমে থাকলে তা থেকে ইনফেকশন ছড়াবে।

ভেজা জুতো পরা এড়িয়ে চলুন এবং পা শুকনো রাখুন।

পা পরিষ্কার রাখুন

বর্ষায় পা সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। বাইরে থেকে ফিরে অ্যান্টিসেপটিক সোপ দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। ব্রাশ দিয়ে নখের ভেতরে জমা ময়লা পরিষ্কার করুন।

পা দীর্ঘক্ষণ বর্ষার কাদাজলে ভিজে থাকলে এক মুঠো নিমপাতা ফুটানো জল কিছুটা ঠাণ্ডা করে তাতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন।

১৫ মিনিট পর পা মুছে পেট্রোলিয়াম জেল লাগিয়ে নিন। যতটা সম্ভব খালি পায়ে হাঁটাহাঁটি এড়িয়ে চলুন।

বাড়ি ফিরে পায়ের যত্ন

১.বাইরে ঘোরাঘুরি করলে বাড়ি  ফিরে তিন টেবিল চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন ।

এবার হালকা গরম জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন । এতে পা নরম ও মসৃণ হবে ।

২. ঈষদুষ্ণ গরম জলের মধ্যে পাঁচ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন । এবার ঝামা পাথর দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভালো করে ঘষুন ।

নিয়মিত এভাবে পা ঘষলে পায়ের গোড়ালি নরম ও মসৃণ থাকবে । তারপর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন ।

৩. বাড়িতে ফেরার পর একটি গামলার মধ্যে বরফ নিয়ে তাতে পা ভিজিয়ে ১০ মিনিট বসে থাকুন ।

এতে পায়ের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যাবে এবং আপনার ক্লান্তি দূর হবে ।

পা ভালো রাখতে ভিনিগার বাথ

পায়ে সংক্রমণ হলে বা চুলকালে বাথ সল্ট বা হোয়াইট ভিনিগার মিশ্রিত জলে পা ভেজাতে পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা ।

তবে  ভিনিগার বাথ সংক্রমণটিকে নিরাময় করবে না, কিন্তু চুলকুনি কমাবে । সংক্রমণ হলে ওষুধ লাগাতে হবে।

 

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top