Mental health মনের যত্ন

ক্ষমা করতে শিখুন, হবেন দুশ্চিন্তামুক্ত  

কোনও কাছের মানুষ বা পরিচিত মানুষের থেকে অপ্রত্যাশিত আঘাত পেলে মনের মধ্যে যে তিক্ত অনুভূতি তৈরি হয় তার সঙ্গে আমরা কমবেশি সকলেই পরিচিত আছি ।

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ সেই অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে মনের মধ্যে পুষে রাখি ।

আর এর থেকেই শুরু হয় স্ট্রেস, দুশ্চিন্তার মতো হাজারও সমস্যা। এরকম অবস্থা যদি আপনার হয় তাহলে ক্ষমা করে দিন তাঁর ভুল ভ্রান্তিগুলো।

সে কাছের বন্ধু, আত্মীয় অথবা যেই হোক না কেন। অন্যদের ওপর রাগ পুষে রাখলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। তাই এভাবে নিজের ক্ষতি না করে অপরকে ক্ষমা করতে শিখুন। কারণ গবেষণা বলছে নিজের অনুভূতিকে ঠিক করার জন্য প্রতিশোধ নেওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

যিনি আপনাকে আঘাত করেছেন তাঁকে ক্ষমা করে দিন । দেখবেন আপনার মনের ভার সহজ হয়ে গিয়েছে অনেকটাই।

নিজে যেমন ভালো থাকা যায় তেমনি সম্পর্কও অনেক বেশি ভালো থাকে।

ক্ষমা করে দিলে স্ট্রেস থেকে অনেকটাই মুক্ত হয়ে যাবেন।

দুশ্চিন্তায় ভুগছেন অথচ কোনও কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না কিছুতেই। আসলে নানা কারণেই আমাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাসা বাঁধতে পারে।

এই চিন্তাকে কিছুটা হালকা করতেও ক্ষমা করে দিন।

এমনকি দোষী যদি আপনি নিজেও হন, তাও নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন।

দেখবেন সমস্যার অনেকটা সমাধান পেয়ে যাবেন হাতেনাতেই।

অন্যদের ক্ষমা করতে শিখুন, মানসিক শান্তি মিলবে হাতেনাতেই

খারাপ চিন্তাগুলো মনে রেখে দেবেন, ততদিন কোনভাবেই মানসিক শান্তি আপনার নাগালে আসবে না।

তাই ক্ষমা করতে শিখুন, আর ভুলে যান সেসব তিক্ত মুহূর্ত।

কেন ক্ষমা করব?

ক্ষমা করতে পারি কিন্তু কেন করব? এই প্রশ্নটা মনের মধ্যে বারবার ফিরে ফিরে এলেও এর কারণ  সম্পর্কে আপনি  অনেকটাই অপরিচিত।  দেখে নেওয়া যাক কেন ক্ষমা করতে শিখতে হবে।

নিজের সীমাবদ্ধতাকে মেনে নিলে নতুনভাবে এগোনো যায়। থাকা যায় চাপমুক্ত।

কারণ, অন্যকে ক্ষমা করার সুবিধা কিন্তু যিনি ক্ষমা করছেন তাঁর কাছে ফিরে আসে।  দেখে নিই কী কী সেই সুবিধা ………

– আপনি দ্রুত কষ্টটি ভুলে যাবেন।

-আপনার নিজের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

-নিজেকে আঘাত করার প্রবণতা কমে যাবে।

-সমাজে নিজের গুরুত্ব বাড়বে।

– সহমর্মী হবার জন্য নিজের নৈতিকতা এবং ব্যক্তিত্ব শক্তিশালী হবে।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top