Diet - ডায়েট

সকালের ব্রেকফাস্টে না, অফিসের ঢুকেই কী খাই কী খাই, খাবেন কোনটা !

সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলেই অফিসে আসার তাড়াহুড়ো।  আর সেই দেরির কারণে সকালের অত্যন্ত জরুরি ও দিনের প্রথম খাবার খাওয়া স্কিপ। কর্মজীবী অনেকেই আছেন যাঁরা  সকালে কিছু মুখে না  দিয়েই অফিসে দৌড়ান।

কিংবা শুধু এককাপ চা সঙ্গে একটা বিস্কুট। নিজেকে সুস্থ রাখতে সঠিক সময়ে সঠিক খাবার গ্রহণের কোনও বিকল্প নেই। তাই অফিসে পৌঁছনোর পরই খিদে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

সেই খিদে মেটাতে অফিস ক্যান্টিন বা রাস্তার দোকানে দাঁড়িয়ে খেতে হয় কিছু স্ন্যাক্স বা জাঙ্ক ফুড।

সকালে খালি পেটে থাকার পর এই ধরণের খাবার পড়লেই এর থেকেই ধীরে ধীরে শরীরে দেখা দেয় নানা উপসর্গ। অম্বল,গ্যাস, বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা।

অফিসে জাঙ্কফুড এড়িয়ে চলাই ভালো। এধরনের খাবার আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার এগুলোতে তেমন পুষ্টিও নেই।

এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। চলুন জেনে নেওয়া যাক অফিসে কাজের ফাঁকে কোন খাবারগুলো খেতে পারেন-

বাদাম অফিসে ঢুকে খিদে পেলে এক্ষেত্রে ফাস্টফুড জাতীয় খাবার না খেয়ে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

বাদাম শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।

এতে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম, ভিটামিন-ই, ফাইবার, সেলেনিয়াম,ভিটামিন-সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, পটাশিয়াম এবং ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।

ফল ফল হতে পারে একটি স্বাস্থ্যকর অপশন। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিটি মানুষের দৈনন্দিন ফল খাওয়া জরুরি।

খেতে পারেন মরসুমি যেকোনো একটি বা দু’টি ফল।  আপেল বা কলা সবথেকে সহজ খাবার।

ফলে থাকা ভিটামিন (বিশেষ করে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি), মিনারেল (বিশেষ করে পটাশিয়াম), অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফাইবার শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর জন্য ফল অত্যন্ত কার্যকরী।

দই – দই খেতে পারলে সবচেয়ে ভালো। একদিকে দই যেমন পেটের পক্ষে খুবই উপকারী তেমনই গরমকালে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। এখন দোকানে নানা রকমের ফ্লেভারড দই বা ইয়োগার্ট পাওয়া যায়। সেগুলি স্বাদে যেমন অন্যরকম তেমনি পুষ্টিগুণে ঠাসা।

দুপুরের খাবারে ফাঁকি দেবেন না

অনেকে হালকা খাবার দিয়েই দুপুরের খাবার সারতে চান। এটি করা যাবে না। কারণ দুপুরের খাবার হলো দিনের তিনটি মূল খাবারের একটি।

আপনি যদি হালকা জলখাবার বা স্ন্যাকস দিয়ে দুপুরের খাবার সারতে চান তবে শরীরে সঠিক পুষ্টি পৌঁছাবে না।

তাই দুপুরের খাবারে স্বাভাবিক খাবারই খান। তবে খুব বেশি ভারী খাবার এসময় না খাওয়াই ভালো। কারণ বেশি ভারী খাবার খেলে ক্লান্তি বেশি লাগে।

কোল্ড ড্রিংককে না বলুন

কাজের ফাঁকে সফট বা কোল্ড ড্রিংক খেতে পছন্দ করেন অনেকে। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

এর বদলে আপনি পানীয় হিসেবে চা কিংবা কফি খেতে পারেন। তবে দিনে দুই কাপের বেশি চা কিংবা কফি না খাওয়াই ভালো।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top