Diet - ডায়েট

ভিটামিন-D-এর ঘাটতি মেটাতে কী কী খাবেন

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটাতে ভিটামিন-D-এর কার্যকারিতা উপেক্ষা করা একেবারেই উচিত নয়।

অন্যদিকে ক্যালশিয়ামের  সঙ্গে ভিটামিন-D একটা সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের কথায় ভিটামিন-D-এর অভাবের কারণে মানুষের শরীরে ক্যালশিয়ামের  ঘাটতি তৈরি হয়।

ভিটামিন-D শরীরকে ক্যালশিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে। তাতে হাড় ও দাঁত মজবুত হয়।

এছাড়াও সম্প্রতি হওয়া বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে শরীরে ভিটামিন-D-এর মাত্রা কমে গেলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা  কমে যায়।ভিটামিন-D-এর প্রধান প্রাকৃতিক উৎস হল সূর্যের আলো।

আয়ুর্বেদ চিকিৎসামতে  একজন ব্যক্তি যদি মাত্র ২০ মিনিট রোদে থাকেন তাহলে তার শরীরে ভিটামিন-D-র ঘাটতি হবে না।

কারণ ভিটামিন-D-এর অভাবে হাড়ের ক্ষয়, বাচ্চাদের রিকেটস, কার্ডিওমায়োপ্যাথি, হাড়ের নানা রোগ ইত্যাদি হতে পারে।

শরীরে ভিটামিন-D-এর ঘাটতি কিভাবে পূরন করব? এক্ষেত্রে বেশ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারলেই ভিটামিন ও ক্যালশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে ।

মাছ : ভিটামিন-D-এর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উৎস হচ্ছে তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত বিভিন্ন মাছ।

এছাড়াও সামুদ্রিক মাছে যে পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, সেই পরিমাণে ভিটামিন-D-ও থাকে। তাই সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার মাধ্যমে ভিটামিন-D-এর ঘাটতি পূরণ করতে পারেন।

রোদ লাগান : ভিটামিন-D-এর সবথেকে ভালো উৎস হলো রোদ।  মাথা ঢেকে শরীরে রোদ লাগাতে পারেন।

তাই শরীরের  ভেতরে ভিটামিন-D-এর চাহিদা পূরণ করতে সপ্তাহে দু’বার, সকালবেলা কমপক্ষে ৩০ মিনিট গায়ে রোদ লাগাতে হবে।

দুধ : ভিটামিন-D-এর অভাব পূরণ করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার হলো দুধ। সকালে বা বিকেলে প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেতেই পারেন।

কোনও সমস্যা হবে না। যাদের গ্যাস অম্বলের সমস্যা রয়েছে তারা ঠান্ডা দুধ খেতে পারেন। দুধ ক্যালশিয়ামের মাত্রা ৮.৫ থেকে ১০.২ মিলিগ্রাম বাড়িয়ে দেয়।

ডিম : শরীরে ভিটামিন-D-এর ঘাটতি মেটাতে চাইলে রোজের ডায়েটে একটা করে ডিম থাকা খুবই জরুরি।

পুষ্টিবিদদের মতে ডিমের ভেতরে প্রোটিন এবং উপকারী কোলেস্টেরলের পাশাপাশি ভিটামিন-D-ও রয়েছে।

তাই শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে এবং হাড়ের নানাবিধ রোগ দূর করতে রোজ একটা বা দুটো ডিম খাওয়া উচিত।

শরীরের ভিটামিন-D-এর, অত্যধিক ঘাটতি দেখা দিলে ভরসা রাখতে পারেন ভিটামিন-D সাপ্লিমেন্টের ওপর।

তবে তার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

পরামর্শ ছাড়া ভিটামিন-D খাওয়া শুরু করলে তা শরীরে সুফলের পরিবর্তে হতে পারে ক্ষতির কারণ।

 

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top