Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

সকালে উঠে এই পাঁচটি কাজ করলেই হাতের মুঠোয় স্বাস্থ্যকর জীবন

সকালের শুরুটা যদি ভালোভাবে করা সম্ভব হয় তাহলে বাকি দিনটাও ভালো কাটে।  এমনটা আমরা কমবেশি সকলেই জানি।  কিন্তু আপনি কি এটা  জানেন? সকালে কয়েকটি বিষয় অভ্যাস করতে পারলেই সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে উঠতে পারেন আপনি।

যেসব মানুষের কাজের চাপ বা স্ট্রেস খুব বেশি থাকে, তাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যাও দ্রুত তৈরি হতে পারে।   তারা প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটি নিয়ম মেনে চলুন উপকার পাবেন।  একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে, দিনের প্রথম ঘন্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়। অনেকের এমনটাও হয় যে, সকালে ঘুম থেকে উঠতেই এক অজানা জড়তা গ্রাস করে ফেলে।

সকালে দ্রুত ঘুম থেকে উঠে ব্রেকফাস্ট করা থেকে শুরু করে সময়মত ঘুমানো ও রাতে ন্যূনতম ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম, এক স্বাস্থ্যকর জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ।  স্বাস্থ্যকর ও সুখী জীবনের চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে সকালের শুরুতেই। সেগুলি কীভাবে করবেন তারই খোঁজ রইল এই প্রতিবেদনে। ……..

শরীরকে হাইড্রেট করুন : সকালে উঠেই এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জল পান করুন।  চাইলে এতে লেবু, শসার রস যোগ করতে পারেন। হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই পানীয় আপনাকে সহায়তা করবে। আমরা রাতারাতি ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাই।  খালিপেটে এই এক গ্লাস জল আপনার শরীরের জলের অভাব পূর্ণ করতে সাহায্য করবে।

ফোনকে না বলুন : সকালে উঠেই মোবাইলের দিকে নজর চলে যায় বেশিরভাগ মানুষেরই। সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটতে  শুরু করে দেবেন না, কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সকালে উঠে মোবাইল ব্যবহার  আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।  অতিরিক্ত পরিমাণে মোবাইল বা গ্যাজেট ব্যবহারের ফলে অনিদ্রার মত মারাত্মক অসুখ বাসা বাঁধতে শুরু করেছে।

ব্যায়াম করুন : সারারাত ঘুমানোর পরে আমাদের শরীরের পেশিগুলি শিথিল ও শক্ত হয়ে যায়। সেগুলি পুনরায় সচল করার পাশাপাশি শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সকালে উঠে অল্প করে শরীরচর্চা করতে ভুলবেন না। অন্যদিকে, আমরা ঘুম থেকে ওঠার পর স্নায়ুগুলো সজাগ হতে কিছুটা সময় লাগে। আর ব্যায়াম করলে দেহে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এতে স্নায়ুগুলো যেমন দ্রুত সজাগ হয় তেমনি শক্তিশালী হয়।

সময়ে ব্রেকফাস্ট সারুন : সকালের প্রথম খাবারটি শরীরের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।  সকালের খাবার সঠিক সময়ে অভ্যাস করতে হবে। সেইসঙ্গে কি খাবেন তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেকফাস্টটি একটু ভারী ধরণের খাওয়ার অভ্যেস করতে হবে।  স্বাস্থ্যকর যেকোনও খাবার পরিমাণমত খেলে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠবে ও কাজকর্মের মধ্যে গতি আসবে।

প্রিয়জনের সান্নিধ্যে কিছুক্ষকাটান : সকালে পরিবারের সদস্য বা প্রিয়জন অথবা প্রিয়বন্ধুর সঙ্গে সময় কাটান।  দরকার হলে সকালে উঠে হাঁটতে যাওয়ার জন্য বন্ধুকে ডেকে নিন। দু’জনে একসঙ্গে  বেরিয়ে পড়ুন।

পরিবারের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট বা জলখাবার খেতে পারেন। পছন্দের লোকেদের সঙ্গে থাকলে আমাদের মেজাজ এবং শক্তির স্তর বড়রকমের উৎসাহ  পায়  ।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top