Lifestyle - লাইফস্টাইল

বিদ্যুতের বিল ও গ্যাসের আগুন দামে পুড়ছে হাত, এভাবেই রাশ টানুন খরচে

করোনাকালে  ওয়ার্ক ফ্রম হোমের যে প্রবণতা শুরু হয়েছিল সেই ধারা খানিকটা হলেও এখনও চলছে।

অনেকেই এখনও সেই অভ্যাসে বাড়ি থেকে কাজ করছেন।

আর সারাক্ষণ বাড়িতে থাকার ফলেই বাড়িতে বিদ্যুতের বিল বাড়ছে চড়চড় করে।

বাড়ি থেকে কাজের ফলে  কম্পিউটার ও এসিও চলছে বেশি সময় ধরে। ফলে বিদ্যুতের বিল বেশি আসছে।

একই সঙ্গে গ্যাসের খরচও বেড়েছে।

অফিসে থাকাকালীন যতবার চা খেতেন, বাড়িতেও যদি সেই ট্র্যাডিশনই বজায় থাকে, তাহলে গ্যাস পুড়ছে বেশি। সেইসঙ্গে নিত্যনতুন রান্না তো আছেই।

সমস্যা হচ্ছে, ইচ্ছে থাক বা না থাক আমাদের সবাইকেই খরচ কমানোর অভ্যেস তৈরি করতে হবে খুব সচেতনভাবেই।

রান্নায় প্রেশার কুকারের ব্যবহার

গ্যাস বাঁচানোর ক্ষেত্রে আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধু হতে পারে প্রেশার কুকার। যেকোনও রান্না ভালো করে কষে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। লাউ, পেঁপে, বাঁধাকপির মতো সবজি সেদ্ধ হতে সময় লাগে বেশি।

সামান্য নুন দিয়ে তা প্রেশার কুকারে ভাপিয়ে নিয়ে রান্না করুন।

চাল বা ডাল রান্নার আগে বেশ অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। রান্নার আগে জল ফেলে দেবেন। প্রেশারে দিয়ে সেদ্ধ করা যায় দুটোই। তাতে গ্যাস বাঁচে।

যদি প্রেশারে রান্না করা ভাত খেতে ভালো না লাগে, ফুটন্ত গরম জলে চাল ছাড়ুন, ভাত দু’বার ফুটে গেলে গ্যাস বন্ধ করে দিন।

আধঘণ্টা পর দেখুন, চাল অনেকটা নরম হয়ে যাবে। তখন আর একবার ফুটিয়ে নিলেই হবে।

বারবার চা করতে হয় ?

তাহলে চায়ের জল ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে ফ্লাস্কে ভরে রেখে দিন। চা বানানোর আগে আর একবার গরম করে নিলেই হবে ! বাসন ধুয়ে শুকনো করে গ্যাসে বসান। নাহলে বাসনের জল শুকোতেও অনেকটা গ্যাস বা ইলেক্ট্রিক খরচ হয় ।

রান্নায় একগাদা জল দেবেন না, আর রান্না বসানোর আগে হাতের কাছে সব জোগাড় করে রাখুন।

রান্না করতে গিয়ে গ্যাসে বসানো কড়া জ্বলে যাচ্ছে, অথচ মশলা বাটা বা সবজি কাটা নেই, এরকম যেন না হয়।

কম আঁচে ঢাকা দিয়ে রান্না করুন। তাতে গ্যাস বাঁচে, রান্নায় পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

যখন যে গ্যাজেট ব্যবহার হচ্ছে না, তখন সেটি পুরোপুরি সুইচ অফ করে রাখুন। ইলেকট্রিসিটি বাঁচানোর সবচেয়ে সহজ উপায় সেটাই। রিমোট দিয়ে TVবা AC অফ করলেও কিন্তু বিদ্যুৎ খরচ হয়।

গোটা ঘরে চড়া আলো না লাগিয়ে টেবিল ল্যাম্পের ব্যবহার বাড়ান। ল্যাপটপ বা রিডিং টেবিলের সামনে ভালো সিএফএল(CFL) বালব দেওয়া ল্যাম্প লাগিয়ে নিন।

একদিনে সব জামাকাপড় কাচুন ওয়াশিং মেশিনে

অনেকেই ভাবেন ওয়াশিং মেশিনে একসঙ্গে বেশি কাপড় কাচলে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়। তাই অল্প অল্প করে ওয়াশিং মেশিনে কাপড় দেন অনেকে। কিন্তু ওয়াশিং মেশিনে একটা কাপড় ধুতে যে বিদ্যুৎ খরচ হবে ১০টা কাপড় ধুতেও সেই একই বিদ্যুৎ খরচ হবে।

তাই সব সময় ওয়াশিং মেশিনের ধারণ ক্ষমতা পূর্ণ করে একসঙ্গে অনেক কাপড় ধোয়া উচিত। এতে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top