Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

সুস্থ মাড়ি পেতে ভরসা থাকুক ঘরোয়া টোটকায়

দাঁতের যত্ন করার জন্য শুধুমাত্র ব্রাশ করাই যথেষ্ট নয় ।  দাঁতের পাশাপাশি আমরা মাড়ির (Gum) যত্ন নিতে প্রায়শই ভুলে যাই ।  ফলে অনেকসময় মাড়ি থেকে রক্তপড়া, জ্বালাভাব, প্রদাহ ও মুখে দুর্গন্ধের মতো সমস্যা দেখা দেয় । তাই  দাঁত, মাড়ি ও মুখের সুরক্ষায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়াটা জরুরি ।  সুন্দর ও সুস্থ দাঁতের জন্য সবচাইতে প্রয়োজনীয় হচ্ছে মাড়ির যত্ন নেওয়া । কিছু ঘরোয়া উপাদান দিয়েই সহজে আমরা মাড়ি ও মুখের ভিতরের অংশকে সুস্থ ও সবল রাখতে পারি ।

মুখের ভিতরে তেল দিয়ে মালিশ

দাঁতের মাড়ি ম্যাসাজ করার জন্য অ্যালোভেরা, ইউক্যালিপটাস কিংবা পুদিনার তেল ব্যবহার করতে পারেন । অ্যালোভেরা মাড়ির জ্বালাভাব কমিয়ে আনতে কার্যকরী । মাড়ির জ্বালা-যন্ত্রণা হলে সামান্য অ্যালোভেরা জেল হাতে নিয়ে মাড়িতে মালিশ করুন । কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখার পর মুখ কুলকুচি করে ভাল করে ধুয়ে নিন । ইউক্যালিপটাস তেল প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে ।  এর মৃদু সুগন্ধ মুখের ভিতরের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করবে ।  একই কথা পুদিনা বা মিন্ট অয়েলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ।

নিয়মিত দাঁত মাজা ও ফ্লস করা

দাঁতে বা মাড়ির সমস্যা দূর করতে প্রত্যেকদিন দু’বার করে দাঁত ব্রাশ করা  দরকার ও দিনে অন্তত একবার ফ্লস করতে হবে । এরফলে মুক্তোর মতো দাঁত যেমন পাবেন, তেমনই দাঁত ও মাড়িতে জীবাণু সংক্রমণ কমবে ।

তাজা ফল ও সবজি খাওয়া 

ফল ও সবজিতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর উপাদান আছে । তাই টাটকা ফল ও সবজি খেতে পারেন । যেসব সবজি কাঁচা খাওয়া যায় সেগুলো খেলে মাড়ির ভাল মালিশ হয়, রক্ত সঞ্চালন বাড়ে । এটা মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সাহায্য করে ।

উষ্ণ নুন জলে মুখ ধোওয়া

মাড়ির যত্ন নেওয়ার সবথেকে সহজ উপায় হল হালকা নুন গরম জলে গার্গল বা মুখ কুলকুচি করা । এটা দিনে অন্তত ২ থেকে ৩ বার করুন । আরাম পাবেন । তবে জল যেন খুব গরম না হয় । তাই গার্গল করার আগে জলের উষ্ণতা পরখ করে নেবেন ।

ভিটামিন সি

আমলকী ও পাতিলেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি রয়েছে । এগুলো মাড়ির ইনফ্লেমেশন কম করতে ভীষণ কার্যকরী । প্রত্যেকদিন অর্ধেক আমলকী বা পাতিলেবু খেতে পারেন । ভিটামিন-সির ঘাটতি থাকলে কাজে দেবে ।

ধূমপান বন্ধ করা 

পান, সিগারেট ও তামাক দাঁত ও মাড়ি উভয়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর । এর পাশাপাশি ধূমপান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় কয়েকগুণ । এরফলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দাঁতে বা মাড়িতে সংক্রমণ আটকাতে ব্যর্থ হয় ।  দেখা দেয় মাড়ির সমস্যা ।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top