Diet - ডায়েট

বাচ্চাকে খাওয়াতে নাজেহাল ! বদল আনুন রেসিপিতে

ঘরে যাদের ছোট্ট সন্তান আছে, সকলেরই এক সমস্যা খাওয়ানো । খাওয়াতে গেলেই হয় মুখ থেকে বের করে দিচ্ছে, আর একটু বড় হলে হয়তো ছুটে পালাচ্ছে । নিজের খাওয়ার না খেলেও বড়দের খাবার দেখে টান মারছে । হাতের কাছে চিপস পেলে তো কথাই নেই ।

১ বছর ২ মাস সবে পেরিয়েছে তিতিরের । এর মধ্যেই নাচোস, চিপস পেলে দিব্যি চুষে চুষে খাচ্ছে । কামড়াচ্ছেও । অথচ তাকে খাওয়াতে বসলে, সে খাবার এক ঘণ্টাতেও শেষ হয় না ।

ভাবছেন কী করবেন ? সমস্যার সমাধান হতে পারে খাবারে একটু বদল আনলেই । একটা বছর না-হয় একেবারে সেদ্ধ সবজি, সেরেল্যাক এই সব দিয়ে চলে গিয়েছে , কিন্তু ভুললে হবে না আপনার সন্তান বড় হচ্ছে ।

মোটামুটি ছ’মাস থেকেই বাচ্চার ঘাড়, মাথা শক্ত হয় । শরীরে খাবার হজমকারী উৎসেচকও ঠিকমতো বের হতে শুরু করে । আর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার স্বাদবোধটাও বাড়ে । কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, পুষ্টির দিকেও । তাই এমন খাবার তাকে দিতে হবে, যা টেস্টি হবে আবার পুষ্টিগুণও থাকবে ।

খিচুড়ি একদম ছোট্ট বয়সে বাচ্চার খিচুড়ি যেভাবে বানাতেন, এখন সেটাই একটু বদলে ফেলুন । ভাল ঘি সামান্য ব্যবহার করুন । খাঁটি ঘি কিন্তু বাড়ন্ত বাচ্চাদের জন্য খুব ভাল । তাতে দিন একটু হিং । এটা হজমে সহায়ক ।

তারপর জিরে ফোড়নের পাশাপাশি সামান্য গরম মশলা, পেঁয়াজ কুঁচি, সামান্য কাঁচালঙ্কা । টুকরো মুরগির মাংস, পেঁপে ও অন্য সবজি দিয়ে চাল, ডাল মিশিয়ে খিচুড়ি বানান । অবশ্যই স্ম্যাশ করে নিন । দেখবেন, সামান্য বদলেই রান্নার স্বাদ, গন্ধ বদলে গিয়েছে । এতে বাচ্চাও কিন্তু খাওয়ার আগ্রহ পাবে ।

চানা সেদ্ধ চানা বা চিক পি, আলু, টম্যাটো, সামান্য পেঁয়াজ সেদ্ধ করে নুন, মিষ্টি দিয়ে পেস্ট করে নিন । ওপর থেকে সামান্য ঘি মিশিয়ে নিন । রেডি নতুন খাবার । চানা কিন্তু প্রোটিনে ভরপুর । আলু, টমেটো, পেঁয়াজ সব ক’টারই যথেষ্ট পুষ্টিগুণ রয়েছে ।

আলুভাজা বাইরের চিপসের চেয়ে ঘরোয়া আলুভাজা কিন্তু বেশ ভাল । আলু সরু করে কেটে গরম জলে নুন দিয়ে মোটামুটি সেদ্ধ করে নিন । তারপর ঠান্ডা জলে আলুটা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে গায়ের জলটা মুছে নিন । সামান্য ঘি বা সাদা তেল, একটু হলুদ দিয়ে ভেজে নিন ।

সুজি নোনতা বা দুধ দিয়ে সুজি রাখুন বাচ্চার খাবারে । এতে ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, ফসফরাস আছে । যা বাচ্চার হাড় মজবুত করবে । এর ডায়েটরি ফাইবার হজমে সহায়ক, পাশাপাশি পেট পরিষ্কার করতেও সাহায্য করে ।

এছাড়া ডিম, মাছ, মাংস অবশ্যই রাখুন খাবারের তালিকায় । শুধু রান্নাকে বাচ্চার মুখের স্বাদের উপযোগী করে একটু পালটে নিলেই কাজ হবে ।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top