Diet - ডায়েট

তারুণ্য ধরে রাখতে আজই শুরু করুন এই খাবার

মুখে বলিরেখা পড়ছে অকালেই। ত্বকও আর আগের মতো টানটান নেই , জেল্লা কমছে বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। চুল উঠে যাওয়া, নানা রকম রোগের উপসর্গ। ৪০ পেরোবার আগেই অনেককেই এই ধরণের সমস্যায় ভুগতে হয়। আবার অনেকেই কম বয়সে বুড়িয়ে যান শরীরের ওপর নানা অত্যাচার করে। তরতাজা চেহারা টিকিয়ে রাখতে কেবল নিয়মিত শরীরচর্চাই যথেষ্ট নয়। শরীরকে সুস্থ রাখতে খাবারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই বয়সকে হাতের মুঠোয় আটকে রাখতে খাবার খান বেছে ও মেপে। কয়েকটি খাবার কম খেলে বা এড়িয়ে চললেই দেহে বয়সের ছাপ কম পড়বে।
প্রথমেই জেনে নিন কোন কোন খাবার খেলে আপনার শরীরে তাড়াতাড়ি বার্ধক্য ধরা দেবে?
অতিরিক্ত মশলা – খাবারকে সুস্বাদু করতে আমরা বেশিরভাগ রান্নায় প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত মশলার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বেশি তেল মশলা দিয়ে রান্না করলে খাবার মুখরোচক হয় ঠিকই কিন্তু মশলাদার খবর থেকে হজমের ও অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রকট হতে পারে। এর ফলে ত্বকে লালচে বা কালচে ছোপ ছোপ দাগ পড়তে পারে। তাই হালকা তেল মশলা দেওয়া বাড়ির খাবার খান।

এনার্জি ড্রিঙ্ক- বাজারচলতি এনার্জি ড্রিঙ্কগুলোয় অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি ও ফুড কালার দেওয়া থাকে। এতে থাকা অ্যাসিড দ্রুত দাঁত ক্ষয় করে এবং দাগ ফেলে। এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করলে চটজলদি শরীরে চনমনে ভাব ও শক্তি পাওয়া গেলেও বয়সের ছাপ তাড়াতাড়ি চলে আসে।

নুন ও চিনি – নুন ও চিনি দুটোই সামান্য ব্যবহার করা ভালো। অতিরিক্ত নুনও ত্বককে শুষ্ক করে তোলে। রক্ত চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি করে। যার প্রভাব পড়ে মুখের ত্বকে। চিনি আখেরে ত্বক এবং স্বাস্থ্য উভয়েরই খুব ক্ষতি করে। ত্বককে তারুণ্য এবং গ্ল্যামারাস করে তুলতে কোলাজেন এবং ইলাস্টিনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ চিনির মধ্যে থাকা গ্লুকোজ এই কোলাজেন এবং ইলাস্টিনকে কমিয়ে দেয়। ফলে ত্বক নিষ্প্রভ হয়ে ওঠে। ত্বকে বলিরেখা দেখা দেয়।
ফাস্টফুড, ফ্রোজেন ফুড – এই ধরণের খাবারগুলি ত্বক ও চুলের ক্ষেত্রে বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। ফ্রোজেন ফুডে সোডিয়াম খুব বেশি থাকে। রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের মতো ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রক্রিয়াজাত মাংস খেতে সুস্বাদু হলেও, এতে যে নাইট্রেট থাকে তার ফলে খাদ্যনালী, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয় এবং অন্ত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বয়সকে এক জায়গায় আটকে রাখতে কী কী খাবার খাবেন ?
ডালিম, টমেটো, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরির মতো ফল, ডার্ক চকোলেট, অ্যাভোকাডো, কলা, লেবু, আপেল, গ্রিন-টি, আখরোট, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আমন্ড বা চীনাবাদাম, ডিম, মাছ, দুধ।
এছাড়াও প্রতিদিন বেশি করে জল খান। টানা ৭ ঘন্টা ভালোভাবে ঘুমোন ও আনন্দে থাকুন।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top