Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

যত্ন নিন ফুসফুসের, অবহেলা নয়, থাকুক ‘কেয়ার’

বিশ্বব্যাপী মহামারির প্রকোপে আমরা সকলে কমবেশি পর্যুদস্ত।  আর মারণ ভাইরাসটির  প্রধান লক্ষ্যই হলো ফুসফুস। কোভিড -১৯ এর  ছোবলে সবচেয়ে ভয়াল আঘাত নেমে আসে শ্বাসযন্ত্রটির ওপর।  সঙ্গে দোসর হিসেবে আছে বায়ুদূষণ, ধূমপানের  মতো সমস্যাও।  প্রতিবছর পালমোনারি টিউবারকিউলোসিস ,অ্যাজমা ও সিওপিডিতে মারা যান কয়েক লক্ষ মানুষ।  তাই ফুসফুসকে অবহেলা না করে বরং তার জন্য থাকুক ‘কেয়ার’ ।

যত্ন নিন নিজের ফুসফুসের 

ফুসফুসকে সুস্থ ও  সবল রাখতে মাথায় রাখুন বেশ কয়েকটি বিষয়কে।  প্রথমেই তামাককে না বলুন।  ধূমপায়ী তো বটেই, প্যাসিভ স্মোকিংয়ে  পরোক্ষভাবে  ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাদ পড়েন  না নন-স্মোকাররাও। ফুসফুস পরিশুদ্ধ ও সুস্থ রাখতে আজই টা টা বলুন ধূমপানকে।

টিকা হলো একধরনের প্রাক – প্রশিক্ষণ, টিকাই  সুরক্ষা। করোনার টিকা নিতে ভুলবেন না।  এছাড়াও  নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং হুপিং কাশির বিরুদ্ধে টিকা অত্যন্ত কার্যকর। তাই যারা ফুসফুসের অসুখে ভুগছেন তাড়াতাড়ি টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করে ফেলুন। বাইরে গেলে মাস্ক পরতেই হবে। বিধি মেনে  মাস্ক পরার  কোনও  বিকল্প নেই.  ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখার প্রথম শর্তই হল পরিষ্কার বাতাস গ্রহণ করা।  বায়ু দূষণের কারণেই সারা পৃথিবী জুড়ে মারা যান ৭০ লাখ মানুষ। কোনও  অঞ্চলের বায়ু খারাপ হলে এয়ার পিউরিফায়ারের ব্যবহার করতে পারেন।

নিয়মিত শরীরচর্চার কোনও  বিকল্প নেই।  ফুসফুসকে তাজা রাখতে ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে ব্যায়ামের জুড়ি মেলা ভার।  যাঁরা ফুসফুসের কোনও  রোগে ভুগছেন, তাঁদের জন্য চিকিৎসক কিংবা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শমাফিক ব্যায়াম আবশ্যক।

এবার আসা যাক খাবারের কথায়।  কিছু খাবার ফুসফুসকে ডিটক্স করতে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের জন্য ভালো। অতএব, সবুজ শাক, টমেটো, বিট, আলু, কলা খান নিয়মিত। প্রোটিন একটু বেশি করে খান। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, দই, ডাল, ছোলা, রাজমা ইত্যাদি।নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া করার পাশাপাশি কয়েকটি বিশেষ খাবার খেলে ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

  • রসুন হাঁপানি দূর করতে ও ফুসফুসের ক্যান্সার রোধ করতে বেশ কার্যকরী। এতে থাকা অ্যালিসিন নামের একটি যৌগ অ্যান্টি-বায়োটিক উপাদান হিসাবে কাজ করে।
  •  আদায় রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, দস্তা এবং এটি বিটা ক্যারোটিনের মতো ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ। সর্দি-কাশিতে প্রদাহ রুখতে আদা ব্যবহার করা হয়।
  • ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য গ্রিন-টি উপকারী। প্রদাহ জনিত সমস্যা সমাধান করতে উপকার করে গ্রিন-টি।
  • মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা শ্বাসকষ্ট হ্রাস করতে সহায়তা করে, শ্বাসনালী পরিস্কার করে এবং ফুসফুসের স্বাস্থ্যের সংশোধন করে মধু
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top