Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে থাকুক উচ্চ রক্তচাপ

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যে দুটো রোগ শরীরে সবার আগে বাসা বাঁধে তা হলো ডায়াবেটিস ও ব্লাড প্রেশার।  এমন মানুষ বোধহয় খুব কমই পাওয়া যাবে যিনি সুগার বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যায় ভুগছেন না। এর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপকে সাইলেন্ট কিলার বলে থাকেন ডাক্তাররা।  নিঃশব্দে কখন  হাইপারটেনশন আপনার শরীরে প্রবেশ করেছে তা বোঝার আগেই শরীরের মধ্যে নিঃশব্দে হানাদারি শুরু হয়ে যায়। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ওষুধ যেমন প্রয়োজন তেমনি রোজকার খাবারের তালিকাটার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। যারা ব্লাড প্রেশারের সমস্যায় ভোগেন তাঁদের কাছে নুন বিষবৎ।  তাই লো-সোডিয়াম ডায়েট বেছে নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। যদি বেশ কিছু সবজি ও খাবার রোজের তালিকায় যোগ করে ফেলতে পারেন তবে ওষুধ ছাড়াই রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

  • দই –  রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘরে পাতা টক দই খেতে পারেন।  ব্রেকফাস্ট বা ফলের সঙ্গে টক দই খুব উপকার দেয়।  দুপুরে লাঞ্চের মেনুতে চিনি ছাড়া টক দই খেতে পারেন।
  • ওটস – ওটসের মতো পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার  খুব কমই  আছে। ওটসে সোডিয়ামের পরিমাণ  খুব কম থাকার কারণে ব্রেকফাস্টের তালিকায় ওটসকে রাখুন।  এছাড়াও এই খাবারটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপের জন্য দারুণ কাজ করে।
  • ডিম-  সকালের দিকে জলখাবার হিসেবে ডিম বেছে নিতেন পারেন। ডিমের সাদা অংশ উচ্চ রক্তচাপের জন্য ভাল। এর সঙ্গে  হালকা শাক-সবজি  মিশিয়েও খেতে পারেন বা স্যালাডের মধ্যে ডিমের সেদ্ধ অংশ মিশিয়ে খেতে পারেন।
  • বিট – বিটের মধ্যে বেশি পরিমাণে নাইট্রেট রয়েছে যা রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।  শীতের সবজি হিসেবে বিটকে খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন।
  • পালং – রোজের খাবারের মেনুতে পালং-এর  যেকোনও পদ যুক্ত করুন । পালং শাকে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, আয়রনের মতো পুষ্টি উপাদান, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • রসুন – রসুনে থাকা অ্যালিসিন রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে, তাই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এককোয়া রসুন খান। উপকার অবশ্যই মিলবে।
  • পেঁয়াজ – পেঁয়াজে থাকা কোয়েরসেটিন ফ্লেভনয়েড রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে।

এড়িয়ে চলুন কাঁচা নুন ও নুন দেওয়া খাবার।  এমনকি ‘প্রসেসড ফুড’  কম খান। সস, চিপস, রোল বা স্যান্ডউইচ যতটা না খাওয়া যায়, ততই ভাল।এই রোগে অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি দেওয়া খাবার যেমন- কেক বা মিষ্টি খাবার খাওয়া উচিত নয়। তেল, ঘি, মাখন ও রেডমিট বর্জন করতে পারলেই ভালো। 

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top