Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

বাচ্চাদের দাঁতের যত্ন

কথায় বলে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দিন। আমরা বড়রা যেমন দাঁতের যত্ন নিজেরা নিতে পারি ছোটরা সেটা পারে না। বড়দের মতো বাচ্চাদের দাঁতের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। দাঁত বেরোনোর আগে থেকেই এই যত্ন নেওয়া শুরু করতে হবে। না হলে বাচ্চাদের দাঁতে ক্যাভিটি হয়ে যেতে পারে। শিশুদের দুধ দাঁত অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রাথমিক জ্ঞানের অভাবে। দুধের দাঁতের সময়কাল অল্প হলেও প্রতিটা দুধ দাঁতের যত্ন নিন দাঁত ওঠার আগে থেকেই।
১. নবজাতকদের জন্য দাঁত ওঠার আগে পরিষ্কার সুতি কাপড় উষ্ণ জলে ভিজিয়ে ও পরে দাঁত উঠলে নরম বেবি টুথ ব্রাশ দিয়ে সতর্কতার সঙ্গে দাঁত ও জিভ পরিষ্কার করাতে হবে। যে ব্রাশে আঙুল ঢুকিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে শিশুদের জন্য সেই ব্রাশ ব্যবহার করুন। এতে ব্যথা পাবার সম্ভাবনা কম হয়।
২. বাচ্চাকে ভালো টিথার দিতে পারেন, বা চিবোবার জন্য শক্ত কিছু দিন ৷ টিথারটি বারবার গরম জলে ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। তবে এমন কিছু দেবেন না, যা বাচ্চার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর ৷
৩. ২ বছরের পর থেকে কম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট স্বল্প পরিমাণে ব্যবহার শুরু করতে হবে ৷ বাচ্চাদের দাঁত মাজার সময় টুথপেস্ট গিলে ফেলার একটা প্রবণতা দেখা যায় ৷ সেক্ষেত্রে ক্ষতি হবে দাঁতেরই।
৪. সব থেকে গুরত্বপূর্ণ বিষয় অতিরিক্ত মিষ্টি, চকোলেট, কৃত্রিম জুস, কোল্ড ড্রিঙ্কস, মিস্টি, আইসক্রিম এমনকি আলুর চিপস্ থেকে শিশুদের দূরে রাখুন। যতটা সম্ভব কম এগুলি দিন শিশুকে। কারণ এগুলি খেলেদাঁতের ক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ বেশি দেখা যায়।
৫. সঠিক সময়ে দাঁত ওঠার জন্য শিশুকে বিভিন্ন ধরনের খাবার চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করাতে হবে। দুধে দাঁত বলে অবহেলা নয়, শিশুর দাঁতের খেয়াল রাখুন গোড়া থেকেই
৬. প্রথম দাঁত বেরোনোর পর থেকেই দাঁত মাজার অভ্যাস শুরু করুন। যতদিন না বাচ্চা নিজে নিজে ভালো করে দাঁত মাজতে শিখছে, ততদিন বাড়ির বড়রা তাকে দাঁত মাজতে সাহায্য করুন।
৭. দাঁত মাজার পর বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার পর ছোটদের জন্য তৈরি মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করাতে পারেন।
৮. আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করি। এতে কোনো ভালো ফল পাওয়া যায় না। তাই রাতেও ব্রাশ করানোর অভ্যেস তৈরি করুন।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top