Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

মুখের ঘা নিয়ে কষ্ট, এবার স্বস্তি মিলবে কয়েকটি সহজ টিপসেই

mouth

মুখের ঘা নিয়ে ভোগা মানুষের সংখ্যা কম নয়। ছোট থেকে বড় সকলেই মোটামুটি এই সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে প্রথমে মুখে একটা ফুসকুড়ির মতো হয়। তারপর সেই জায়গাটা লাল হয়ে যায়। এই গোলাকার লাল অংশের ভিতরটায় সাদা হয়ে থাকে। খুব জ্বালা করে। খাবার খেতেও সমস্যা হয়। মুখের ভিতর এই ঘা একটি থেকে শুরু করে অনেকগুলি হতে পারে। মুশকিল হল, একটি ঘা হলেই মানুষের খেতে সমস্যা হয়। এর ওপর অনেকগুলি ঘা হলে তো কথাই নেই। তখন ব্যথায় ব্যথায় জীবন অতিষ্ট হতে শুরু করে দেয়। খাওয়াদাওয়া মাথায় ওঠে। এমনকী মুখের ভিতরের লালা ওই নির্দিষ্ট অংশে লাগলেও জ্বালা করে। অনেকে আবার এই ব্যথা থেকে বাঁচতে চেয়ে সেই সময়টায় ব্রাশ পর্যন্ত করেন না। কারণ ব্রাশ করার সময় টুথপেস্ট ওই নির্দিষ্ট জায়গায় লাগলে যন্ত্রণা হয়। তাই এই সময়টায় অনেকেই ব্রাশ করা এড়িয়ে যান।

মুখের ঘায়ের কারণ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুখের ঘায়ের পিছনে থাকতে পারে অনেক কারণ। এর মধ্যে রয়েছে, পেটের সমস্যা, ডিহাইড্রেশন, ভিটামিনের কমতি, মুখে কামড় পড়া ইত্যাদি। এমনকী জানলে অবাক হবেন, দুশ্চিন্তা করার কারণেও হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

সমাধানে
এই সমস্যা যাঁদের আছে তাঁরা নিশ্চয়ই ভিটামিন ওষুধ খেয়েছেন। সাময়িকভাবে সমস্যা এর মাধ্যমে কমলেও বারবার এই জটিলতা ফিরে আসে। তাই বাড়িতেই করে ফেলুন সমস্যার সমাধান।

মধু- মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ। তাই ঘা থাকলে সেই সমস্যা সমাধানে মধু হতে পারে আপনার প্রধান হাতিয়ার। এক্ষেত্রে মুখের ঘায়ের জায়গায় লাগাতে পারেন মধু। এছাড়া রোজ একচামচ করে মধু খেতে পারেন। অবশ্য ডায়াবেটিস থাকলে এড়িয়ে যান।

নারকেল তেল- শুনলে অবাক হবেন, নারকেল তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি গুণ। তাই চাইলেই আপনি দিনে ৩ থেকে ৪ বার মুখের ঘায়ে লাগাতে পারেন নারকেল তেল। তবে অবশ্যই এমন নারকেল তেল লাগাবেন যার মধ্যে রাসায়নিক নেই বা কম রয়েছে। তবেই সমস্যার হাত থেকে পাবেন রেহাই।

তুলসী- তুলসীর গুণাগুণ নিয়ে লিখতে গেলে গোটা একটা বই হয়ে যাবে। তাই আর এই সম্পর্কে কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। নিজের ভালো চাইলে তুলসি পাতা বা তুলসি পাতা বাটা রস মুখের ভিতরের ঘায়ে লাগান। ভালো থাকবেন।

আমলকী- আয়ুর্বেদশাস্ত্র মতে, যে কোনও সমস্যা সমাধানে আমলকীর জুড়ি মেলা ভার। কারণ, এই ফলে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়া এরমধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে। তাই চাইলেই এই ফল রোজ খাওয়া যেতে পারে। এমনকী আমলকীর রস লাগাতে পারেন ওই নির্দিষ্ট জায়গায়। দেখবেন, সমস্যা অনেকটাই কমবে।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top