Lifestyle - লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস রোগীদের উচিত চোখের যত্ন নেওয়া, নইলে বিপদ

eyes

ডায়াবিটিস রোগে শরীর শর্করাকে শোষণ করতে পারে না। ফলে শর্করা জমে রক্তে। এই রোগটি দুই প্রকারের হয়, টাইপ ১ এবং টাইপ ২। টাইপ ১ রোগটি অটোইমিউন রোগ। ছোট বয়সেই মানুষ এই রোগটিতে আক্রান্ত হন। এক্ষেত্রে শরীরে ইনসুলিন তৈরিই হয় না। অপরদিকে বয়সকালে হয় টাইপ ২ ডায়াবিটিস। এই রোগটিতে শরীরে উৎপন্ন হওয়া ইনসুলিন কাজ করতে পারে না বা পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন তৈরি হয় না। তার থেকেই দেখা দেয় সমস্যা। বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষই এই টাইপ ২ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত। এই রোগটি হওয়ার নেপথ্যে থাকে খারাপ জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস।

ডায়াবিটিস রোগটি থেকে চোখে প্রভাব পড়ে খুব বেশি। একজন সাধারণ মানুষের তুলনায় ডায়াবিটিসে আক্রান্ত মানুষের চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে ২০ গুণ বেশি। ডায়াবিটিসের কারণে চোখে হওয়া সমস্যাকে ডায়াবিটিক রেটিনোপ্যাথি (Diabetic Retinopathy) বলা হয়।

কখন চোখ দেখাতে হবে?
আপনার মনে হতে পারে, বিষয়টা একেবারেই সাধারণ। তবে হয়তো চোখের সমস্যা সবসমই কোনও বৃহৎ জটিলতার অঙ্গ। তাই আপনাকে প্রতি মুহূর্তে নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। কারণ আপনার রয়েছে ডায়াবিটিস নামক রোগটি। এমনকী চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তাই ডায়াবিটিস থাকলে চোখে ছোটখাট সমস্যা দেখা দিলেও দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সাধারণ মানুষের তুলনায় ডায়াবিটিস রোগীদের ছানি হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুবই বেশি। ছানির ক্ষেত্রে চোখের লেন্সের উপর এক ধরনের আস্তরণ পড়ে যায়। ফলে দৃষ্টি হয়ে যায় অস্পষ্ট। এক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানে করতে হয় সার্জারি। অপারেশনের পর চোখের লেন্স কেটে অন্য একটি লেন্স বসিয়ে দেওয়া হয়।

গ্লকোমা (Glaucoma)
ডায়াবিটিস থাকলে অনেকসময় চোখের ভিতরে তরল বের হওয়ার রাস্তা পায় না। তখন চোখের ভিতরেই জমতে থাকে তরল। চোখের ভিতর জমা তরল অপকিট নার্ভের উপর চাপ তৈরি করে। এক্ষেত্রে দেওয়া হয় ড্রপ।

ডায়াবিটিক রেটিনোপ্যাথি (Diabetic Retinopathy)
এক্ষেত্রে চোখের ভিতরের নার্ভ শুকিয়ে যেতে থাকে। তার প্রভাব পড়ে রেটিনার (Retina) উপর। এই রোগের প্রথম অবস্থাতেই চিকিৎসা করতে হয়। নইলে দেখা দিতে পারে অন্ধত্বও।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top