Physical Health - শরীর স্বাস্থ্য

অ্যান্টাসিড খাচ্ছেন ঘন ঘন, শরীরে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

medicine

ওষুধগুলিকে বিজ্ঞানসম্মত ভাষায় বলে পিপিআই বা প্রোটোন পাম্প ইনহিবিটর। সাধারণত অ্যাসিড , বদহজম, পেপটিক আলসারের  ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার হয়।

সমস্যা কখন?
মুশকিল হল, এই ওষুধটি দোকানে প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি হয়। যদিও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টাসিড খাওয়া উচিত নয়। কারণ চিকিৎসকরাই জানেন এই ওষুধের ডোজ কতটা দিতে হবে। সেই মতোই খেতে হয় ওষুধ। নইলে এক অসুখ তাড়াতে গিয়ে অন্য সমস্যা উঁকি দেয়। তাই এই ওষুধ ডাক্তারবাবুরা অহেতুক খেতে বারণ করে থাকেন।

কী কী সমস্যা হয়?
বিভিন্ন সমস্য়া হতে পারে। এমনকী সার্বিক স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়াও সম্ভব। গবেষণা বলছে, টপাটপ অ্যান্টাসিড খেলে অ্যাকুউট কিডনি ডিজিজ  রোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কিডনি বিশেষজ্ঞরা এই বদোভ্যাস নিয়ে বিশেষ রকম সতর্ক করেছেন।
তবে দোষ কেবল সাধারণ মানুষের নয়। বহু বিশেষজ্ঞও অ্যান্টাসিড ব্যবহার নিয়ে তেমন আমল দেন না বলে বিভিন্ন স্তর থেকে অভিযোগ উঠে আসছে। কিন্ত কেন এমনটা হচ্ছে? অনেকের মতে, এই সকল বিষয়গুলি কেবল জার্নালের পেজেই বন্ধ থাকে। তার বাইরে কোনও প্রচার নেই। তাই সকলের পক্ষে এই বিষয়টি জানা সম্ভব নয়। তবে বর্তমানে এই সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ছে বলেই মত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই অচিরেই এই সমস্যা থেকে সমাধান মিলবেন বলেই আশাবাদি সকলে।

মনে রাখবেন
এক-আধদিন খেলে অসুবিধে নেই। তবে নিয়মিত অ্যান্টাসিড খাওয়ার আগে অবশ্যই ভাবুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তাঁর মত অনুযায়ী, অ্যান্টাসিড খান। কারণ তিনি প্রথমে আপনার শরীরের সমস্যা ধরবেন। তারপর ঠিক করবেন, আপনার কোন ধরনের অ্যান্টাসিড লাগবে বা আদেও তা লাগবে কি না। কখন, কতটা ডোজে সেই ওষুধ খেতে হবে তাও ঠিক করবেন তিনিই। তাই নিজের বুদ্ধি কাজে লাগাতে যাবেন না। বিশেষজ্ঞের উপর ভরসা করুন। আর গ্যাসের সমস্যা প্রায়ই চলতে থাকলে খাওয়াদাওয়া ঠিক করুন। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন। বাড়িতে কম তেল, মশলা দিয়ে খাবার খান। খাবারের মধ্যে শাকসবজি, হোল গ্রেইন জাতীয় খাবার বেশি রাখুন। মাছ, মাংস, ডিম খান পরিমিত। তবেই ভালো থাকবেন।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top