Mental health মনের যত্ন

বাঁচুন জীবনটাকে ভালোবেসে, অযথা তাকে বোঝায় রূপান্তরিত করে নয় !

stress

মন খারাপের একরাশ সমস্যা যা অযথা বাসা বাঁধে মনে গভীরে, তা অধিকাংশই বহিরাগত যা আপনাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে, এই সকল সমস্যাকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। পরিস্থিতির কাছে মাথানত করে নয় বা সকলের থেকে দূরে গিয়ে নয়। জানালেন- ডা. কেদার রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।

জীবনের সকল ধাপ যখন প্রায় পরিপূর্ণ তায় রূপ নেয়, বেলা শেষের সুর তখন মনে করিয়ে দেয় এবার তবে সাঙ্গ হল খেলা। খেলাই বটে, ভালো থাকা-মন্দ থাকা এ সকল অনুভূতির আটটি ধাপে কখন যে চলার পথ ফুরোতে বসেছে তার হদিশ মেলা ভার। বয়সের ভারে বৃদ্ধ মানুষ পড়ন্ত রোদে আরাম কেদারায় বসে শুধুই ভাবেন ফেলে আসা দিনগুলির কথা।

হাজারো একটা অজুহাত যা সহজেই আপনার মনকে ভারাক্রান্ত করে তুলতে সক্ষম, তাদের মাথা চাড়া দিয়ে বাড়তে দিয়েছেন, আজ হয়তো কোথাও মনে হয়, সেগুলি সময় মতন ঝেড়ে ফেললেই বোধ হয় জীবনের চাওয়া-পাওয়ার তালিকায় খানিক সামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হত।

তাই মূল্যবান জীবনের প্রতিটি ক্ষণকে এড়িয়ে না গিয়ে সময় থাকতে তাকে উপভোগ করুন, সময়ের কাজ সময় করলে দেখবেন অযথা চিন্তার বোঝা কমবে বই বাড়বে না। মন খারাপের অজুহাতে নিজের ওপর অহেতুক মানসিক নিযতিনের পরিনাম কিন্তু মোটেই ভালো লক্ষণ নয়।

তাই হঠাৎ মন খারাপের বা ভালো না লাগার ভূত কি করে তাড়িয়ে ফেলবেন প্রথমে জেনে নিন তারই কিছু সহজ পদ্ধতি-
যে সমস্যাগুলি অযথা আপনার মনকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে সে সকল সমস্যা থেকে নিজেকে যতটা পারেন সরিয়ে রাখুন।
এ সমাজে বসবাসকারী যে সকল ব্যক্তি আপনার উদ্বিগ্নের কারণ তাদের এড়িয়ে চলুন।
অযথা অন্যের কথায় উত্তেজিত না হয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন
মন ভালো থাকা না থাকা অনেক সময় আমাদের খুব কাছের মানুষের আচরণের ওপর নির্ভর করে, এমনটা না করে নিজের মনের ভালো থাকা-মন্দ থাকার ভার নিজের হাতেই তুলে নিন।

মন ভালো রাখতে ভাল ভাল খাবার খান। বেশ সুস্বাদু ও চটপটি খাবার আমাদের মনের খুব কাছের।
এ কথা অনেকেরই জানা যে, চকলেট খেলে মন ভালো থাকে তা বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণিত।
মাঝে মধ্যে কয়েকদিনের জন্য ছুটি নিয়ে কাছে পিঠে বা দূরে কোথাও থেকে ঘুরে আসুন।
মন ভালো রাখতে অবসরে গান শুনুন। গান মানুষের মনকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
পরিবারের সঙ্গে দিনের কিছুটা পরিমাণ সময় কাটান, তাতে কাজের একঘেয়েমি বেশ খানিকটা কেটে যাবে।
ভালো ভালো গল্পের বই পড়ুন।
এক এক গল্প কেবলমাত্র বিনোদনের জন্যই লেখা এমনটা নয়, জীবনের হাজারও চড়াই উতরাইয়ের হদিশ মেলে এই গল্পগুলির থেকে।
নিজেকে সারাদিন বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন ভাবে ব্যস্ত করে দিন, যাতে ক্লান্তিতে রাত্রে সত্বর ঘুম চলে আসে।
শুধু যে পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কবলে পড়ে বা ব্যর্থতার সম্মুখীন হলেই মন খারাপ হয় এমনটা মোটেই সঠিক মন্তব্য নয়।
শরীরের প্রতি সঠিক যত্বের অভাবে আপনি যখন কোনও জটিল রোগের শিকার হন, তখনও তা মনের ওপর চরম প্রভাব ফেলে।
সর্বদা মাথায় রাখবেন মনের চাওয়া-পাওয়ার হিসেব কষতে গিয়ে যেন জীবনের চাওয়া-পাওয়ার সামঞ্জস্যতা হারিয়ে না যায়।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

To Top